শুক্রবার , জুন ২২ ২০১৮
Home / এক্সক্লুসিভ / বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের দিন, মিছিল নিষিদ্ধ

বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের দিন, মিছিল নিষিদ্ধ

৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মামলার রায় ঘোষণার দিন মিছিল এবং ছুরি-লাঠির মতো অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ওই দিন ভোর চারটা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, গোয়েন্দা তথ্য এবং গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বিচারাধীন একটি মামলার রায়কে কেন্দ্র করে ঢাকা মহানগরীতে কোনো কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির মাধ্যমে জননিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা বিঘ্নের অপপ্রয়াস ঘটাতে পারে। তাই শান্তি–শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তার স্বার্থে বৃহস্পতিবার ভোর চারটা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় সব ধরনের ছড়ি বা লাঠি, ছুরি, চাকু বা ধারালো অস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য ও দাহ্য পদার্থ বহন নিষিদ্ধ থাকবে। যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও রাস্তায় দাঁড়িয়ে বা বসে কোনো ধরনের মিছিল করা যাবে না।

ডিএমপি কমিশনার ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

উল্লেখ্য, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ৮ ফেব্রুয়ারি বকশীবাজারে বিশেষ জজ আদালত–৫–এ ঘোষণা করার কথা রয়েছে।

সারা দেশে এক দিনে গ্রেপ্তার ৪৩১

রাজধানীর প্রবেশমুখ গাবতলীর পর্বত প্রেক্ষাগৃহের সামনে পুলিশের নিরাপত্তাচৌকিতে জনবল বাড়ানো হয়েছে। সতর্ক অবস্থানে পুলিশ। সন্দেহ হলেই তল্লাশি চালানো হচ্ছে পথচলতি মানুষ, মোটরসাইকেল, গাড়ি এমনকি যাত্রীভরা বাসেও। গতকাল দুপুরে। ছবি: দীপু মালাকার
রাজধানীর প্রবেশমুখ গাবতলীর পর্বত প্রেক্ষাগৃহের সামনে পুলিশের নিরাপত্তাচৌকিতে জনবল বাড়ানো হয়েছে। সতর্ক অবস্থানে পুলিশ। সন্দেহ হলেই তল্লাশি চালানো হচ্ছে পথচলতি মানুষ, মোটরসাইকেল, গাড়ি এমনকি যাত্রীভরা বাসেও। গতকাল দুপুরে।

পুলিশের চলমান গ্রেপ্তার অভিযানে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে এক দিনে ২০০ জনকে ‘সন্দেহমূলক’ গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঢাকার বাইরের ২৩ জেলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২১৬ জনকে। এ নিয়ে গতকাল সোমবার সারা দেশে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৩১। আর সব মিলিয়ে গত সাত দিনে গ্রেপ্তারের সংখ্যা ১ হাজার ৬৫।

৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা সামনে রেখে সপ্তাহজুড়ে ধরপাকড় চলছে, গতকাল এই সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ। উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে ঢাকার সাতটি প্রবেশমুখে ১৩টি তল্লাশিচৌকি বসিয়েছে পুলিশ। গতকাল সোমবার সকাল থেকে যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে। শহরের ভেতরেও স্থায়ী তল্লাশিচৌকিগুলোতে পুলিশের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

বিএনপির অভিযোগ, হয়রানি ও গ্রেপ্তার-বাণিজ্য করতেই এমন ধরপাকড় চালানো হচ্ছে। তবে পুলিশ বলছে, সরকার উৎখাত ও নাশকতার মাধ্যমে নৈরাজ্য সৃষ্টির পরিকল্পনার অভিযোগে এবং বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি হিসেবে তাঁদের আটক করা হচ্ছে।

জানতে চাইলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা গণমাধ্যমে বিষয়গুলো দেখছি, নজর রাখছি। আমরা প্রত্যাশা করি, পুলিশ কেবল তাদেরই গ্রেপ্তার করবে, যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে দায়িত্ব পালন করবে বলে আশা করছি।’

রায় ঘোষণার আগে ও পরের পরিস্থিতি সামাল দিতে গত বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে ১৮ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ নির্দেশনা পাওয়ার পর ঢাকার বাইরের জেলাগুলো থেকে বিএনপির কর্মী-সমর্থকেরা যাতে ঢাকায় আসতে না পারেন, সে জন্য এই তল্লাশি শুরু হয়। পুলিশের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তল্লাশি কার্যক্রম চালানোর নির্দেশ আছে।

পুলিশের মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী পুলিশের প্রস্তুতি সম্পর্কে গত বৃহস্পতিবার রাজারবাগে এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, জানমালের নিরাপত্তায় পুলিশ সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে।

ঢাকার কয়েকটি প্রবেশমুখ ঘুরে দেখা গেছে, গাবতলী, যাত্রাবাড়ী ও উত্তরায় গতকাল উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পুলিশের উপস্থিতি রয়েছে।

যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা, সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড, চিটাগাং রোড ও সাইনবোর্ড এলাকায় পুলিশ নাশকতার যেকোনো চেষ্টা এড়াতে তল্লাশি চালাচ্ছে। যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় একটি তল্লাশিচৌকিতে গতকাল বিকেলের দিকে ১০-১২ জন পুলিশ সদস্যকে দেখা যায়। দলটির প্রধান উপপরিদর্শক মো. আজিজুল হক বলেন, সোমবার সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সন্দেহ হলেই দূরপাল্লার যানবাহন ও মোটরসাইকেল থামিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে।

গাবতলীতেও সকাল থেকে পুলিশকে তল্লাশিচৌকিতে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। মিরপুর বিভাগের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, জানমালের নিরাপত্তার জন্য তাঁরা তল্লাশিচৌকি বসিয়েছেন।

পুলিশের উত্তরা বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, আবদুল্লাহপুরে সব সময়ই দুটো চেকপোস্ট থাকে। বিশেষ পরিস্থিতিতে চৌকিতে পুলিশের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। শহরের যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা থেকে মেয়র হানিফ উড়ালসড়ক পর্যন্ত কমপক্ষে চারটি পয়েন্টে পুলিশকে তল্লাশি চালাতে দেখা যায়।

এদিকে ঢাকা জজ আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর বিভিন্ন থানা থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে গতকাল ২০০ জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের অপরাধকে ‘অধর্তব্য অপরাধ’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

সারা দেশে ধরপাকড়

গত রোববার রাত থেকে গতকাল সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৩ জেলায় ২১৬ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। প্রথম আলোর পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত সাত দিনের মধ্যে এটাই এক দিনের ব্যবধানে সবচেয়ে বেশি গ্রেপ্তারের সংখ্যা।

প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক, আঞ্চলিক কার্যালয়, প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর:

ঢাকার কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা ইউনিয়ন যুবদলের সহসভাপতি মো. সোহেল (৩৫), শ্রমিক দলের নেতা আমজাদ হোসেনসহ তিনজন আটক হয়েছেন। এ ছাড়া আশুলিয়া থেকে তিনজন ও নবাবগঞ্জ থেকে চারজন গ্রেপ্তার হয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জে গ্রেপ্তার হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহসম্পাদক নজরুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ নগর বিএনপির সহসভাপতি সাখাওয়াত হোসেনসহ ১৩ জন।

মুন্সিগঞ্জে গ্রেপ্তার হয়েছেন পাঁচজন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন, সদরের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান ও গজারিয়া উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক আলী।

রংপুরে গ্রেপ্তারের সংখ্যা ১৪। তাঁদের মধ্যে জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আবুয়ালী মিঠু রয়েছেন। নীলফামারীতে গ্রেপ্তার হয়েছেন ২৩ জন। জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জমান, কিশোরগঞ্জ উপজেলার রণচণ্ডী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাইদুল ইসলাম রয়েছেন গ্রেপ্তারকৃত নেতাদের মধ্যে।

চাঁদপুরের আট উপজেলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন ১৭ জন। তাঁদের মধ্যে চাঁদপুর শহর জামায়াতের সাবেক আমির মো. শাহজাহান মিয়া, চাঁদপুর পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাদের ব্যাপারী, হাজীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান আছেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম মাহফুজসহ মানিকগঞ্জে গ্রেপ্তার হয়েছেন নয়জন। মাহফুজকে জেলা শহরের বেউথা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনজন গ্রেপ্তার হয়েছেন ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে। বরগুনার পাথরঘাটায় গ্রেপ্তার হয়েছেন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইসমাইল সিকদার ও পৌর ছাত্রদলের সহসভাপতি রাহাতুল ইসলাম।

নড়াইলে গ্রেপ্তারের সংখ্যা ৫। এর মধ্যে কালিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরদার আনোয়ার হোসেন, লোহাগড়া উপজেলার লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাজী রেজাউল করিম, লোহাগড়া পৌর যুবদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আহাদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিপুল সরদার আছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৩ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। সরাইল উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শাহীন আলম, বিজয়নগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মিয়া, সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাঈদ খোকন রয়েছেন তাঁদের মধ্যে।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন খালেদ, রামগঞ্জ পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি নাজমুল ইসলামসহ এই জেলায় আটক হয়েছেন বিএনপি ও জামায়াতের নয়জন নেতা-কর্মী। ফেনীতে গ্রেপ্তার হয়েছেন ১০ জন। মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল হাকিম বক্স, প্রচার সম্পাদক জগলু তালুকদারসহ জেলায় আটকের সংখ্যা ১০।

বগুড়ার ১৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুল গফুর, ৮ নম্বর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক সোলাইমান আলী, সদরের ফাঁপোড় ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন, রাজাপুর ইউনিয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক বেলাল হোসেন, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম, যুগ্ম সম্পাদক আপেল মাহমুদসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ১৯ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। আছেন কাহালু উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল মান্নান ও উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদও।

সিলেটে গ্রেপ্তার হয়েছেন ছয় নেতা। তাঁরা হলেন বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লিলু মিয়া, অলংকারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলতাব আলী, খাজাঞ্চী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস শহিদ, অলংকারী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান, ওসমানীনগর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ এহিয়া ও উমরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হান্নান।

বান্দরবান পৌর শ্রমিক দলের সদস্য নজির হোসেন ও পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম শিকদার গ্রেপ্তার হয়েছেন। চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার হয়েছেন মিরসরাই যুবদলের সাবেক সভাপতি সুলতান সালাউদ্দীন, তাঁর ভাই মিরসরাই পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. মহিউদ্দীনসহ ছয়জন।

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন ২৩ জন। শেরপুরে গ্রেপ্তার হয়েছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলী।

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিনসহ তিনজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। এ ছাড়া নরসিংদীতে আটজন, কিশোরগঞ্জের ভৈরব ও কুলিয়ারচরে গ্রেপ্তার হয়েছেন সাতজন।

এদিকে যশোরের চৌগাছা উপজেলায় নাশকতাচেষ্টার মামলায় জামায়াতের সাত নেতা-কর্মী গতকাল যশোরের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। কিন্তু বিচারক শাহিনুর রহমান তা নামঞ্জুর করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

জানতে চাইলে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) নূর মোহাম্মদ গতকাল রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ‘সারা বছরই গ্রেপ্তার হয়। কোনো বড় কর্মসূচি যখন আসে, তখন এটা ব্যাপক আকারে হয়। কিন্তু বেশির ভাগ সময় দেখা যায় রাজনৈতিক দলের কর্মীদের সঙ্গে সাধারণ নিরীহ মানুষ গ্রেপ্তার হচ্ছেন। পুলিশের যাঁরা তদারক করেন তাঁদের এ বিষয়টি নজর দেওয়া উচিত, যাতে কেউ অযথা হয়রানির শিকার না হন।’

Comments

comments

Check Also

ফাঁসি দেওয়ার আগে জল্লাদ অপরাধীর কানে কি বলে থাকে জানেন?

ফাঁসি দেওয়ার আগে জল্লাদ- ভারতে সেরকম ভাবে খুব কম ফাঁসি দেওয়া হয়ে থাকে । অন্যান্য …

error: Content is protected !!